ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘জীবন যুদ্ধের প্রতীক এক কুকুর ছানা’

স্টাফ রিপোর্টার,
520
চীনের তিয়ানজিনে রাসায়নিক বিস্ফোরণের সেই যায়গাটিতে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ৭২ ঘণ্টা পর একটি কুকুর ছানা পাওয়া গেছে।

সেটি এখন চীনের মানুষদের জন্য জীবন যুদ্ধের এক প্রতীক হয়ে উঠেছে।

কুকুর ছানাটি একেবারে অক্ষত আছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকর্মীরা।

চীনের সোশাল মিডিয়াতে সে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। হাজার হাজার কমেন্টে ভরে গেছে চীনা সোশাল মিডিয়ার সাইটগুলো। তার ছবিও শেয়ার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর কালো রঙের কুকুর ছানাটির আবির্ভাবকে এক আশার আলো বলে দেখছেন অনেকে।

তেমনটাই লিখেছেন জুন বাও নামের একজন।

অনেকে বিষয়টিকে অলৌকিক বলেও বর্ণনা করেছেন।

কুকুর ছানাটি তার উদ্ধারকারীদের কাছ থেকে একদমই সরতে চাইছে না।

গত বুধবার রাতে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে তিয়ানজিন শহরের শিল্প এলাকায়। যার শকওয়েভ হয়েছিল কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত।

দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় গাড়ির কারখানা, বিমান সংযোজন কারখানা, বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা সংস্থার দপ্তর ছিল।

ভয়াবহ ঐ বিস্ফোরণে এখনো পর্যন্ত ১১৪ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। ৭০ জনে মতো এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আহত ৭০০ জন হাসপাতালে রয়েছেন। প্রায় ১৭ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

‘জীবন যুদ্ধের প্রতীক এক কুকুর ছানা’

আপডেট সময় : ০২:২০:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
520
চীনের তিয়ানজিনে রাসায়নিক বিস্ফোরণের সেই যায়গাটিতে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ৭২ ঘণ্টা পর একটি কুকুর ছানা পাওয়া গেছে।

সেটি এখন চীনের মানুষদের জন্য জীবন যুদ্ধের এক প্রতীক হয়ে উঠেছে।

কুকুর ছানাটি একেবারে অক্ষত আছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকর্মীরা।

চীনের সোশাল মিডিয়াতে সে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। হাজার হাজার কমেন্টে ভরে গেছে চীনা সোশাল মিডিয়ার সাইটগুলো। তার ছবিও শেয়ার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর কালো রঙের কুকুর ছানাটির আবির্ভাবকে এক আশার আলো বলে দেখছেন অনেকে।

তেমনটাই লিখেছেন জুন বাও নামের একজন।

অনেকে বিষয়টিকে অলৌকিক বলেও বর্ণনা করেছেন।

কুকুর ছানাটি তার উদ্ধারকারীদের কাছ থেকে একদমই সরতে চাইছে না।

গত বুধবার রাতে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে তিয়ানজিন শহরের শিল্প এলাকায়। যার শকওয়েভ হয়েছিল কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত।

দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় গাড়ির কারখানা, বিমান সংযোজন কারখানা, বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা সংস্থার দপ্তর ছিল।

ভয়াবহ ঐ বিস্ফোরণে এখনো পর্যন্ত ১১৪ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। ৭০ জনে মতো এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আহত ৭০০ জন হাসপাতালে রয়েছেন। প্রায় ১৭ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।