রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কগুলোর একটি বিজয় সরণি থেকে মহাখালী পর্যন্ত তেল নেওয়ার জন্য গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ট্রাস্ট পেট্রল পাম্প ঘিরে ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক ও মোটরসাইকেলের এমন উপস্থিতি পথচারীসহ সবার দৃষ্টি কেড়েছে। দূর থেকে দেখলেও বোঝা যায়, জ্বালানি সংগ্রহের জন্য চালকদের ভিড় কতটা বেড়েছে।
পেট্রোল পাম্পের সামনে সকাল থেকেই চালকরা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহের অপেক্ষায় রয়েছেন। কেউ কেউ আগেভাগেই এসে অবস্থান নিয়েছেন, যাতে দ্রুত তেল নিতে পারেন। তবে বাস্তবে অনেককেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে—কেউ তিন ঘণ্টা, কেউ চার ঘণ্টা, আবার কেউ কেউ পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কথাও জানিয়েছেন। এর ফলে অনেক চালক তাদের দৈনন্দিন কাজের সময়সূচি পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
লাইনে থাকা কয়েকজন চালক জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ধৈর্য ধরে থাকতে হচ্ছে, কারণ বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেকেই গাড়ির ভেতরেই বসে থাকছেন, আবার কেউ কেউ বাইরে নেমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এ অবস্থায় চালকদের মধ্যে ক্লান্তি ও অস্বস্তির চিত্রও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক যানবাহনের চাপ তৈরি হয়েছে। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত জনবল নিয়োজিত করা হয়েছে এবং দ্রুত সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের মধ্যে এ পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা দেখা গেছে। অনেকেই দ্রুত ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন, যাতে সবাই সহজে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানির বাড়তি চাহিদা ও ব্যবহার জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলছে, তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।











