ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্লগার রাজীব হায়দারের খুনি গ্রেপ্তার

ব্লগার রাজীব হায়দারের খুনি গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক,

ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রেজায়ানুল আজাদ রানাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের জঙ্গিবিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। তাকে এই হত্যায় প্রধান পরিকল্পনাকারী বলছে বাহিনীটি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী ঢাকাটাইমসকে জানান, সোমবার দুপুর দুইটার সময়ে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে ধরা হয় রানাকে। এ সময় তার সহযোগী আশরাফকেও ধরা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময় ঢাকায় ওই মঞ্চের সংগঠন রাজীব হায়দারকে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে হত্যা করা হয়। পুলিশের তদন্তে দেখা যায় তাকে খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন রানা। তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়তেন।

রাজীব হায়দার ব্লগে ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর লেখা প্রকাশ করেছিলেন অভিযোগ করে উগ্রবাদীরা তাদেরকে খুন করে বলে পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়।

এই ঘটনার পৌনে তিন বছর পর ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর রানাসহ দুইজনের মৃত্যুদ- ঘোষণা করে ঢাকার একটি আদালত। ঘটনার পর থেকেই রানা পলাতক ছিলেন।

পুলিশের তদন্তে দেখা যায় উগ্রপন্থী সংগঠন আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যরাই রাজীবকে খুন করেছে। ঢাকার একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক জসীমউদ্দিন রাহমানী এই সংগঠনটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। রাহমানীর প্ররোচনায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বেশ কিছু শিক্ষার্থী যোগ দিয়েছিল এই সংগঠনে। আর এরাই খুন করে রাজীবকে।

রাজীব হত্যা মামলায় দুই জনের ফাঁসি ছাড়াও জসীমউদ্দিন রাহমানীসহ ছয় জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।
এই সাজার বিরুদ্ধে আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়েছে।

ব্লগার রাজীব হায়দারের খুনি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ব্লগার রাজীব হায়দারের খুনি গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক,

ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রেজায়ানুল আজাদ রানাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের জঙ্গিবিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। তাকে এই হত্যায় প্রধান পরিকল্পনাকারী বলছে বাহিনীটি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী ঢাকাটাইমসকে জানান, সোমবার দুপুর দুইটার সময়ে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে ধরা হয় রানাকে। এ সময় তার সহযোগী আশরাফকেও ধরা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময় ঢাকায় ওই মঞ্চের সংগঠন রাজীব হায়দারকে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে হত্যা করা হয়। পুলিশের তদন্তে দেখা যায় তাকে খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন রানা। তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়তেন।

রাজীব হায়দার ব্লগে ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর লেখা প্রকাশ করেছিলেন অভিযোগ করে উগ্রবাদীরা তাদেরকে খুন করে বলে পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়।

এই ঘটনার পৌনে তিন বছর পর ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর রানাসহ দুইজনের মৃত্যুদ- ঘোষণা করে ঢাকার একটি আদালত। ঘটনার পর থেকেই রানা পলাতক ছিলেন।

পুলিশের তদন্তে দেখা যায় উগ্রপন্থী সংগঠন আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যরাই রাজীবকে খুন করেছে। ঢাকার একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক জসীমউদ্দিন রাহমানী এই সংগঠনটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। রাহমানীর প্ররোচনায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বেশ কিছু শিক্ষার্থী যোগ দিয়েছিল এই সংগঠনে। আর এরাই খুন করে রাজীবকে।

রাজীব হত্যা মামলায় দুই জনের ফাঁসি ছাড়াও জসীমউদ্দিন রাহমানীসহ ছয় জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।
এই সাজার বিরুদ্ধে আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়েছে।