ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৯ প্রতিষ্ঠানকে এইও সনদ দিল এনবিআর

দেশের ৯টি প্রতিষ্ঠানকে অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) সনদ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সনদ পাওয়া ৯টি প্রতিষ্ঠান হলো—জিহান ফুটওয়্যার, সুনিভার ফুটওয়্যার, হাতিল ফার্নিচার, এশিয়ান পেইন্ট, বিআরবি কেবল, ফুট স্টেপ বাংলাদেশ লিমিটেড, ওমেরা সিলিন্ডার, কাটিং এজ, এমবিএম গার্মেন্টস লিমিটেড। গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সনদ তুলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ১২টি প্রতিষ্ঠান এইও সনদ পেয়েছিল।

এনবিআরের বিধিমালা অনুযায়ী, এইও সনদধারীরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবে। বড় সুবিধা হলো কাস্টম হাউস বা শুল্ক স্টেশনের পরিবর্তে এইও প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব আঙিনায় পণ্যের চালানের কায়িক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ পাবে। জাহাজ বা উড়োজাহাজ থেকে কিংবা সীমান্তের অন্য প্রান্ত থেকে পণ্য খালাস হয়ে সরাসরি চলে যাবে আমদানিকারকের গুদামে। এ ছাড়া বন্দরে পণ্য আসার আগেই বিল অব এন্ট্রি দাখিলসহ শুল্কায়নের কাজ শেষ করা যাবে।

এমনকি বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য কোনো দেশের এইওসংক্রান্ত মিউচুয়াল রিকগনিশন অ্যাগ্রিমেন্টে (এমআরএ) থাকে, তাহলে বাংলাদেশের এইও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের চালান ওই সব দেশের বন্দরেও একই সুবিধা পাবে। বাংলাদেশ অবশ্য এখন পর্যন্ত কোনো দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করেনি। তবে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক সুবিধা দেওয়ার জন্য ১০০টিরও বেশি মিউচুয়াল রিকগনিশন অ্যাগ্রিমেন্টে (এমআরএ) আছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ, জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা চুক্তি হয়েছে।

এইও সনদ পাওয়ার পর নিজের প্রতিক্রিয়ায় জিহান ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহাজাদা আহমেদ রনি বলেন, ‘কমপ্লায়েন্স অর্জন ব্যয়সাপেক্ষ বিষয়, যদিও কমপ্লায়েন্স অর্জন করলে দক্ষতা বাড়ে।

দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে এইও। যারা এই সনদ পেয়েছে, তারা বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দূত হিসেবে কাজ করতে পারে।’ এইও সনদ ছাড়াও ১৭ কর্মকর্তাকে ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের সার্টিফিকেট অব মেরিট সম্মাননা দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে। এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘করসংক্রান্ত বিভিন্ন বিধানের কারণে মুনাফা না করলেও কর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় ব্যবসায়ীদের অনুযোগ আছে। এতে তাঁরা অখুশি।
আমাদের ক্লায়েন্টরা অত্যন্ত বিরক্ত। তাঁরা বলেন, আমরা যাঁরা কমপ্লায়েন্ট করদাতা তাঁদেরই আপনারা আরো বেশি কর দিতে চাপাচাপি করেন।’

৯ প্রতিষ্ঠানকে এইও সনদ দিল এনবিআর

আপডেট সময় : ০২:০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
দেশের ৯টি প্রতিষ্ঠানকে অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) সনদ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সনদ পাওয়া ৯টি প্রতিষ্ঠান হলো—জিহান ফুটওয়্যার, সুনিভার ফুটওয়্যার, হাতিল ফার্নিচার, এশিয়ান পেইন্ট, বিআরবি কেবল, ফুট স্টেপ বাংলাদেশ লিমিটেড, ওমেরা সিলিন্ডার, কাটিং এজ, এমবিএম গার্মেন্টস লিমিটেড। গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সনদ তুলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ১২টি প্রতিষ্ঠান এইও সনদ পেয়েছিল।

এনবিআরের বিধিমালা অনুযায়ী, এইও সনদধারীরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবে। বড় সুবিধা হলো কাস্টম হাউস বা শুল্ক স্টেশনের পরিবর্তে এইও প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব আঙিনায় পণ্যের চালানের কায়িক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ পাবে। জাহাজ বা উড়োজাহাজ থেকে কিংবা সীমান্তের অন্য প্রান্ত থেকে পণ্য খালাস হয়ে সরাসরি চলে যাবে আমদানিকারকের গুদামে। এ ছাড়া বন্দরে পণ্য আসার আগেই বিল অব এন্ট্রি দাখিলসহ শুল্কায়নের কাজ শেষ করা যাবে।

এমনকি বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য কোনো দেশের এইওসংক্রান্ত মিউচুয়াল রিকগনিশন অ্যাগ্রিমেন্টে (এমআরএ) থাকে, তাহলে বাংলাদেশের এইও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের চালান ওই সব দেশের বন্দরেও একই সুবিধা পাবে। বাংলাদেশ অবশ্য এখন পর্যন্ত কোনো দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করেনি। তবে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক সুবিধা দেওয়ার জন্য ১০০টিরও বেশি মিউচুয়াল রিকগনিশন অ্যাগ্রিমেন্টে (এমআরএ) আছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ, জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা চুক্তি হয়েছে।

এইও সনদ পাওয়ার পর নিজের প্রতিক্রিয়ায় জিহান ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহাজাদা আহমেদ রনি বলেন, ‘কমপ্লায়েন্স অর্জন ব্যয়সাপেক্ষ বিষয়, যদিও কমপ্লায়েন্স অর্জন করলে দক্ষতা বাড়ে।

দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে এইও। যারা এই সনদ পেয়েছে, তারা বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দূত হিসেবে কাজ করতে পারে।’ এইও সনদ ছাড়াও ১৭ কর্মকর্তাকে ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের সার্টিফিকেট অব মেরিট সম্মাননা দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে। এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘করসংক্রান্ত বিভিন্ন বিধানের কারণে মুনাফা না করলেও কর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় ব্যবসায়ীদের অনুযোগ আছে। এতে তাঁরা অখুশি।
আমাদের ক্লায়েন্টরা অত্যন্ত বিরক্ত। তাঁরা বলেন, আমরা যাঁরা কমপ্লায়েন্ট করদাতা তাঁদেরই আপনারা আরো বেশি কর দিতে চাপাচাপি করেন।’