ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৩৭ শতাংশ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • 4
ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭.১১ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরে খাতটির মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৯ হাজার ২৫১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুন শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণ ছিল ২৭ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা, যা ছিল খাতটির বিতরণ করা মোট ঋণের ৩৫.৭২ শতাংশ। ফলে তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে এক হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।

সংকটে থাকা ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হলেও ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কম্পানি (বিআইএফসি), এফএএস ফিন্যান্স, আভিভা ফিন্যান্স, ফারইস্ট ফিন্যান্স, জিএসপি ফিন্যান্স, প্রাইম ফিন্যান্স ও প্রিমিয়ার লিজিং।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৩৭ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৩:২৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭.১১ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরে খাতটির মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৯ হাজার ২৫১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুন শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণ ছিল ২৭ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা, যা ছিল খাতটির বিতরণ করা মোট ঋণের ৩৫.৭২ শতাংশ। ফলে তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে এক হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।

সংকটে থাকা ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হলেও ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কম্পানি (বিআইএফসি), এফএএস ফিন্যান্স, আভিভা ফিন্যান্স, ফারইস্ট ফিন্যান্স, জিএসপি ফিন্যান্স, প্রাইম ফিন্যান্স ও প্রিমিয়ার লিজিং।