ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঠ্যপুস্তকে নতুন ইতিহাস: ‘হেলিকপ্টার থেকে গুলি’ ও ‘হাসিনার পলায়ন’ এখন সিলেবাসে

মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে আমূল পরিবর্তন এনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ‘২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষের বইগুলোতে স্থান পেয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ, ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের বিস্তারিত বিবরণ। পাশাপাশি, মহান স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মেজর জিয়াউর রহমানের নাম ও ইতিহাস পুনরায় পাঠ্যবইয়ে ফিরে এসেছে।

ইতিহাস, সাহিত্য ও ইংরেজি—বিভিন্ন বিষয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, শেখ হাসিনার উত্থান থেকে পতন এবং তাঁর দেশত্যাগের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। একইসঙ্গে একাত্তর-পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহও নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রকাশিত ও বিতরুকৃত বইগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্লাসের শিক্ষার্থীদের বয়সের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাগুলো সাজানো হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’, ‘বাংলা সাহিত্য’ এবং ‘ইংরেজি’ বইতে আন্দোলনের রাজনৈতিক ও মানবিক দিকগুলো প্রাধান্য পেয়েছে।

ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে জিয়াউর রহমান ও জুলাই অভ্যুত্থান

ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ’ অংশে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়টি ছবিসহ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরদিন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে পুনরায় তা পাঠ করেন।
একই বইয়ের ‘স্বাধীন বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক নতুন পরিচ্ছেদে ১৯৭৫ পরবর্তী রাজনীতি, স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পাশাপাশি ২০২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানকে স্থান দেওয়া হয়েছে। এতে শহীদ নূর হোসেন ও শহীদ আবু সাঈদের ছবি পাশাপাশি রেখে আন্দোলনের ত্যাগের মহিমা তুলে ধরা হয়েছে। পাঠ্যবইয়ে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পর দেশে একনায়কতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে। এর জেরে ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর সরকারি বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের হামলায় আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামসহ অনেকে শহীদ হন। শেষ পর্যন্ত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।

সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ে আন্দোলনের চিত্র

সপ্তম শ্রেণির বাংলা বই ‘সপ্তবর্ণা’-য় হাসান রোবায়েতের ‘সিঁথি’ কবিতার মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের মানবিক বিপর্যয় ও মুক্তির বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। একই শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে কোটা আন্দোলনের শুরু, দমন-পীড়ন এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর মতো ঘটনাগুলোর উল্লেখ রয়েছে।
অষ্টম শ্রেণির বাংলা বইয়ের ‘গণঅভ্যুত্থানের কথা’ প্রবন্ধে ৬৯, ৯০ এবং ২৪-এর তিনটি বড় গণঅভ্যুত্থানের তুলনামূলক আলোচনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল সম্পূর্ণভাবে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন। এছাড়া অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সশস্ত্র মহড়া এবং রংপুরে আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনা স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

নবম-দশম শ্রেণিতে গণঅভ্যুত্থান ও গ্রাফিতি
নবম-দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে ‘আমাদের নতুন গৌরবগাথা’ রচনায় ৫ আগস্টের বিজয়োল্লাস, কারফিউ ভেঙে জনতার রাজপথে নেমে আসা এবং স্বৈরশাসকের পলায়নের চিত্র আঁকা হয়েছে। এই প্রবন্ধে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই অভ্যুত্থান কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাত ধরে সফল হয়েছে।

অন্যদিকে, ইংরেজি বই ‘English For Today’-এ ‘Graffiti’ নামক অধ্যায়ে আন্দোলনের সময় আঁকা দেওয়াল লিখনের গুরুত্ব আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে শহীদ আবু সাঈদের মায়ের আর্তনাদ ‘হামার বেটাক মারলু কেনে?’—এই হৃদয়বিদারক উক্তিটি স্থান পেয়েছে।

প্রতিক্রিয়া ও বই বিতরণ অগ্রগতি
পাঠ্যবইয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও সত্য ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুঈনুল ইসলাম বলেন, এই উদ্যোগের ফলে আগামী প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অপব্যবহার এবং হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের কথা পাঠ্যবইয়ে উঠে আসায় ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ বন্ধ হলো। মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষণার বিষয়টিও ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ রূপ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য নির্ধারিত ৩০ কোটিরও বেশি বইয়ের মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে। প্রাথমিকের বই শতভাগ এবং মাধ্যমিকের বইয়ের বড় একটি অংশ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছেছে। এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম আসাদুজ্জামান জানান, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের বাকি বইগুলোও পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে সব বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ উন্মুক্ত করা হয়েছে।

পাঠ্যপুস্তকে নতুন ইতিহাস: ‘হেলিকপ্টার থেকে গুলি’ ও ‘হাসিনার পলায়ন’ এখন সিলেবাসে

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে আমূল পরিবর্তন এনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ‘২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষের বইগুলোতে স্থান পেয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ, ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের বিস্তারিত বিবরণ। পাশাপাশি, মহান স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মেজর জিয়াউর রহমানের নাম ও ইতিহাস পুনরায় পাঠ্যবইয়ে ফিরে এসেছে।

ইতিহাস, সাহিত্য ও ইংরেজি—বিভিন্ন বিষয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, শেখ হাসিনার উত্থান থেকে পতন এবং তাঁর দেশত্যাগের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। একইসঙ্গে একাত্তর-পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহও নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রকাশিত ও বিতরুকৃত বইগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্লাসের শিক্ষার্থীদের বয়সের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাগুলো সাজানো হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’, ‘বাংলা সাহিত্য’ এবং ‘ইংরেজি’ বইতে আন্দোলনের রাজনৈতিক ও মানবিক দিকগুলো প্রাধান্য পেয়েছে।

ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে জিয়াউর রহমান ও জুলাই অভ্যুত্থান

ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ’ অংশে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়টি ছবিসহ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরদিন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে পুনরায় তা পাঠ করেন।
একই বইয়ের ‘স্বাধীন বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক নতুন পরিচ্ছেদে ১৯৭৫ পরবর্তী রাজনীতি, স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পাশাপাশি ২০২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানকে স্থান দেওয়া হয়েছে। এতে শহীদ নূর হোসেন ও শহীদ আবু সাঈদের ছবি পাশাপাশি রেখে আন্দোলনের ত্যাগের মহিমা তুলে ধরা হয়েছে। পাঠ্যবইয়ে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পর দেশে একনায়কতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে। এর জেরে ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর সরকারি বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের হামলায় আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামসহ অনেকে শহীদ হন। শেষ পর্যন্ত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।

সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ে আন্দোলনের চিত্র

সপ্তম শ্রেণির বাংলা বই ‘সপ্তবর্ণা’-য় হাসান রোবায়েতের ‘সিঁথি’ কবিতার মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের মানবিক বিপর্যয় ও মুক্তির বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। একই শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে কোটা আন্দোলনের শুরু, দমন-পীড়ন এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর মতো ঘটনাগুলোর উল্লেখ রয়েছে।
অষ্টম শ্রেণির বাংলা বইয়ের ‘গণঅভ্যুত্থানের কথা’ প্রবন্ধে ৬৯, ৯০ এবং ২৪-এর তিনটি বড় গণঅভ্যুত্থানের তুলনামূলক আলোচনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল সম্পূর্ণভাবে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন। এছাড়া অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সশস্ত্র মহড়া এবং রংপুরে আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনা স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

নবম-দশম শ্রেণিতে গণঅভ্যুত্থান ও গ্রাফিতি
নবম-দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে ‘আমাদের নতুন গৌরবগাথা’ রচনায় ৫ আগস্টের বিজয়োল্লাস, কারফিউ ভেঙে জনতার রাজপথে নেমে আসা এবং স্বৈরশাসকের পলায়নের চিত্র আঁকা হয়েছে। এই প্রবন্ধে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই অভ্যুত্থান কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাত ধরে সফল হয়েছে।

অন্যদিকে, ইংরেজি বই ‘English For Today’-এ ‘Graffiti’ নামক অধ্যায়ে আন্দোলনের সময় আঁকা দেওয়াল লিখনের গুরুত্ব আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে শহীদ আবু সাঈদের মায়ের আর্তনাদ ‘হামার বেটাক মারলু কেনে?’—এই হৃদয়বিদারক উক্তিটি স্থান পেয়েছে।

প্রতিক্রিয়া ও বই বিতরণ অগ্রগতি
পাঠ্যবইয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও সত্য ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুঈনুল ইসলাম বলেন, এই উদ্যোগের ফলে আগামী প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অপব্যবহার এবং হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের কথা পাঠ্যবইয়ে উঠে আসায় ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ বন্ধ হলো। মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষণার বিষয়টিও ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ রূপ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য নির্ধারিত ৩০ কোটিরও বেশি বইয়ের মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে। প্রাথমিকের বই শতভাগ এবং মাধ্যমিকের বইয়ের বড় একটি অংশ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছেছে। এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম আসাদুজ্জামান জানান, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের বাকি বইগুলোও পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে সব বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ উন্মুক্ত করা হয়েছে।