ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন কেজিএফ সিনেমার সেই চাচা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • 41

কন্নড় চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেতা হরিশ রায়। ক্যারিয়ারজুড়ে অনেক জনপ্রিয় চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। তবে ‘কেজিএফ’ ছবিতে চাচা চরিত্রে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের কাছে আলাদা পরিচিতি পান তিনি। সেই ‘চাচা’ মারা গেছেন। আজ ৬ নভেম্বর ৫৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন হরিশ রায়। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, তিনি বেঙ্গালুরুর কিডওয়াই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি দীর্ঘদিন থাইরয়েড ক্যান্সারের চিকিৎসা চলাকালীন ছিলেন। সেটি তার পাকস্থলীতে ছড়িয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসার ব্যয় এতটাই বেশি ছিল যে হরিশ আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, একমাত্র ইনজেকশনের দাম ৩ লাখ ৫৫ হাজার রুপি। প্রতিটি চক্রে তিনটি ইনজেকশন প্রয়োজন ছিল। এক চক্রের মোট খরচ দাঁড়াত ১০ লাখ ৫০ হাজার রুপি। পুরো চিকিৎসার জন্য প্রায় ৭০ লাখ রুপির প্রয়োজন হতে পারত। সেই ব্যয় বহন করতে গিয়ে তার পরিবার হিমশিম খাচ্ছিলো।

চিকিৎসার এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও হরিশ রায় বহু বছর ধরে চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার চলচ্চিত্রজীবনে কন্নড়, তামিল এবং তেলেগু চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ওম, সামারা, বেঙ্গালুরু আন্ডারওয়ার্ল্ড, জোডিহাক্কি, রাজ বাহাদুর, সঞ্জু ওয়েডস গীতা, স্বয়ংবর, নল্লা এবং কেজিএফের দুইটি পর্ব।

হরিশ রায়ের অভিনয় ক্ষমতা, বিশেষ করে খলনায়কের চরিত্রে তার মাধুর্য এবং ভিন্নধর্মী ভূমিকা দর্শকদের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছে। চলচ্চিত্র জগতের অনেকেই তার প্রয়াণকে গভীরভাবে শোক জানিয়েছেন।

তারা দাবি করছেন, হরিশের মৃত্যু তার পরিবার ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এটি একটি অপূরণীয় ক্ষতি। হরিশ রায়ের অবদান কন্নড় চলচ্চিত্রে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মারা গেছেন কেজিএফ সিনেমার সেই চাচা

আপডেট সময় : ০৩:২২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

কন্নড় চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেতা হরিশ রায়। ক্যারিয়ারজুড়ে অনেক জনপ্রিয় চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। তবে ‘কেজিএফ’ ছবিতে চাচা চরিত্রে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের কাছে আলাদা পরিচিতি পান তিনি। সেই ‘চাচা’ মারা গেছেন। আজ ৬ নভেম্বর ৫৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন হরিশ রায়। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, তিনি বেঙ্গালুরুর কিডওয়াই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি দীর্ঘদিন থাইরয়েড ক্যান্সারের চিকিৎসা চলাকালীন ছিলেন। সেটি তার পাকস্থলীতে ছড়িয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসার ব্যয় এতটাই বেশি ছিল যে হরিশ আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, একমাত্র ইনজেকশনের দাম ৩ লাখ ৫৫ হাজার রুপি। প্রতিটি চক্রে তিনটি ইনজেকশন প্রয়োজন ছিল। এক চক্রের মোট খরচ দাঁড়াত ১০ লাখ ৫০ হাজার রুপি। পুরো চিকিৎসার জন্য প্রায় ৭০ লাখ রুপির প্রয়োজন হতে পারত। সেই ব্যয় বহন করতে গিয়ে তার পরিবার হিমশিম খাচ্ছিলো।

চিকিৎসার এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও হরিশ রায় বহু বছর ধরে চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার চলচ্চিত্রজীবনে কন্নড়, তামিল এবং তেলেগু চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ওম, সামারা, বেঙ্গালুরু আন্ডারওয়ার্ল্ড, জোডিহাক্কি, রাজ বাহাদুর, সঞ্জু ওয়েডস গীতা, স্বয়ংবর, নল্লা এবং কেজিএফের দুইটি পর্ব।

হরিশ রায়ের অভিনয় ক্ষমতা, বিশেষ করে খলনায়কের চরিত্রে তার মাধুর্য এবং ভিন্নধর্মী ভূমিকা দর্শকদের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছে। চলচ্চিত্র জগতের অনেকেই তার প্রয়াণকে গভীরভাবে শোক জানিয়েছেন।

তারা দাবি করছেন, হরিশের মৃত্যু তার পরিবার ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এটি একটি অপূরণীয় ক্ষতি। হরিশ রায়ের অবদান কন্নড় চলচ্চিত্রে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।