ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমাতে আগাম প্রস্তুতি জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্ত এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয় নিয়ে আয়োজিত এক সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। সম্ভাব্য দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশনাও দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবনগুলো দ্রুত চিহ্নিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিল্ডিং কোড যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। ভূমিকম্পের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে যাতে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা যায়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশনাও দেন তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ ছাড়া হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের পর্যাপ্ত মজুত, উদ্ধারকর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেন তিনি।
সভায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে আগাম প্রস্তুতি, নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিতকরণ এবং জরুরি সাড়াদান কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।











