ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে চেলে গেলেন না ফেরার দেশে

ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে শনিবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

গত কয়েক মাস ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিল্পী। শনিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরদিন রোববার দুপুরে তাঁর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। আগামী সোমবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

১৯৩৩ সালে সংগীতপ্রেমী মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে খুব অল্প বয়স থেকেই সংগীতজীবন শুরু করেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পেশাদারভাবে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার পর ১৯৫০-এর দশকেই বলিউডে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করে নেন। বড় বোন লতা মঙ্গেশকর-এর প্রভাব থাকলেও নিজস্ব গায়কী ভঙ্গিতে দীর্ঘ সময় ধরে শ্রোতাদের মন জয় করে রেখেছিলেন তিনি।

ক্যারিয়ারে তিনি দাদাসাহেব ফালকে সহ অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন। এছাড়াও ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনেও ছিল নানা ওঠানামা। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবারের অমতে নিজের ব্যক্তিগত সচিব গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেছিলেন তিনি, যদিও ১৯৬০ সালে সেই সম্পর্কের ইতি টানেন।

পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে কিংবদন্তি সুরকার রাহুল দেব বর্মণ (আর ডি বর্মণ)-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পারিবারিক আপত্তি সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের প্রেম পরিণয়ে রূপ নেয়। ১৯৯৪ সালে আর ডি বর্মণের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা একসঙ্গেই ছিলেন।

জীবনের শেষ সময়গুলোতে নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন তাঁর নিকটতম সঙ্গী। তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীতাঙ্গন হারাল এক স্বর্ণযুগের উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।

বিশ্বনেতাদের নজরে চীন, বাড়ছে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব

ভারতীয় কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে চেলে গেলেন না ফেরার দেশে

আপডেট সময় : ০২:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে শনিবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

গত কয়েক মাস ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিল্পী। শনিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরদিন রোববার দুপুরে তাঁর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। আগামী সোমবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

১৯৩৩ সালে সংগীতপ্রেমী মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে খুব অল্প বয়স থেকেই সংগীতজীবন শুরু করেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পেশাদারভাবে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার পর ১৯৫০-এর দশকেই বলিউডে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করে নেন। বড় বোন লতা মঙ্গেশকর-এর প্রভাব থাকলেও নিজস্ব গায়কী ভঙ্গিতে দীর্ঘ সময় ধরে শ্রোতাদের মন জয় করে রেখেছিলেন তিনি।

ক্যারিয়ারে তিনি দাদাসাহেব ফালকে সহ অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন। এছাড়াও ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনেও ছিল নানা ওঠানামা। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবারের অমতে নিজের ব্যক্তিগত সচিব গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেছিলেন তিনি, যদিও ১৯৬০ সালে সেই সম্পর্কের ইতি টানেন।

পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে কিংবদন্তি সুরকার রাহুল দেব বর্মণ (আর ডি বর্মণ)-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পারিবারিক আপত্তি সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের প্রেম পরিণয়ে রূপ নেয়। ১৯৯৪ সালে আর ডি বর্মণের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা একসঙ্গেই ছিলেন।

জীবনের শেষ সময়গুলোতে নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন তাঁর নিকটতম সঙ্গী। তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীতাঙ্গন হারাল এক স্বর্ণযুগের উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।