ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৩টার দিকে তিনি বন্দরের জেটি এলাকায় পৌঁছে বিভিন্ন স্থাপনা ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি ব্যবস্থাপনা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। বন্দরের বর্তমান সক্ষমতা, পণ্য ওঠানামার ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি বিস্তারিত ধারণা নেন।

এ সময় মোংলা বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বন্দরের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং আমদানি-রপ্তানি পণ্য দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের চলমান কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা পর্যালোচনা এবং মোংলা বন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতা সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তারেক রহমান। সকাল ১০টার দিকে তিনি সেখানে যান। সফরের শুরুতে হেলিকপ্টার ও জলযানে খুলনা এবং সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি।

উপকূলীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণের পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি মোংলা বন্দরের জেটি এলাকায় যান এবং বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বন্দরে আগমনকে কেন্দ্র করে প্রধান ফটকের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হন। তিনি বন্দরে প্রবেশের সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

পরিদর্শনকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বন্দরের চলমান কার্যক্রম, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

মোংলা বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং পণ্য পরিবহনে গতি আনার উদ্যোগ দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনে বন্দরের বর্তমান অবস্থা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যালোচনার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১১:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৩টার দিকে তিনি বন্দরের জেটি এলাকায় পৌঁছে বিভিন্ন স্থাপনা ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি ব্যবস্থাপনা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। বন্দরের বর্তমান সক্ষমতা, পণ্য ওঠানামার ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি বিস্তারিত ধারণা নেন।

এ সময় মোংলা বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বন্দরের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং আমদানি-রপ্তানি পণ্য দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের চলমান কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা পর্যালোচনা এবং মোংলা বন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতা সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তারেক রহমান। সকাল ১০টার দিকে তিনি সেখানে যান। সফরের শুরুতে হেলিকপ্টার ও জলযানে খুলনা এবং সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি।

উপকূলীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণের পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি মোংলা বন্দরের জেটি এলাকায় যান এবং বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বন্দরে আগমনকে কেন্দ্র করে প্রধান ফটকের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হন। তিনি বন্দরে প্রবেশের সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

পরিদর্শনকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বন্দরের চলমান কার্যক্রম, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

মোংলা বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং পণ্য পরিবহনে গতি আনার উদ্যোগ দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনে বন্দরের বর্তমান অবস্থা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যালোচনার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।