বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট ৭৭টি মামলা ছিল। এই মামলাগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন অথবা মামলাগুলো খারিজ হয়ে গেছে। বর্তমানে তার জানামতে কোনো কার্যকর মামলা বিদ্যমান নেই।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে হলফনামা দিয়েছেন, তাতে তিনি এ তথ্য দিয়েছেন। দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক বিদেশে অবস্থানরত এই নেতার হলফনামা থেকে তার বর্তমান সম্পদ ও মামলার চিত্র পাওয়া যায়।
হলফনামায় তারেক রহমান তার অস্থাবর সম্পদের যে তালিকা দিয়েছেন, তাতে প্রধান সম্পদ হিসেবে শেয়ার ও ব্যাংক আমানতকে দেখিয়েছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী—
নগদ ও ব্যাংক জমা রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে রয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৪ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানিতে (তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত) ৪৫ লাখ টাকা ও ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে এবং শেয়ারে রয়েছে ৫ লাখ টাকা।
এফডিআর-এ ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা এবং অন্যান্য আমানতে ১ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।
স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর গহনা রয়েছে ২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।
তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে কৃষি ও অকৃষি জমি এবং আবাসিক ভবন।
অকৃষি জমি: ২.১ একর ও ১.৪ শতাংশ জমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। সেই সাথে ২.৯ শতাংশ জমির ওপর আবাসিক/বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। তবে এটি ‘উপহার’ হিসেবে পাওয়ায় এর আর্থিক মূল্য অজানা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া তার স্ত্রীর নামে যৌথ মালিকানায় ১১১.২৫ শতাংশ জমি রয়েছে, যার মূল্য অজানা। এছাড়া যৌথ মালিকানায় ৮০০ বর্গফুটের দোতলা ভবন রয়েছে। সেটির মূল্যও অজানা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।























