ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনজীবন

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হিমেল হাওয়ায় দুর্ভোগ নেমে এসেছে জনপদে। সকাল হলেও কুয়াশার কারণে সড়ক দেখতে না পাওয়ায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন এ অঞ্চলের খেটে-খাওয়া, দিনমজুর, নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

dhakapost

এদিকে, ঠান্ডা উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে ঘর থেকে বের হওয়া লোকজন পড়েছেন বিপাকে।

যাত্রাপুর ইউনিয়নের দিনমজুর আজিজ মিয়া (৬০) বলেন, কুয়াশা ও ঠান্ডায় বাড়িত থাকি বের হওয়া যায় না। কী করবো, কাম করি তো খাওয়া লাগবে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পৌর শহরের রিকশাচালক আমিনুল ইসলাম (৫০) বলেন, ঠান্ডায় বাড়িত থাকি বের হইছি, ভাড়া নাই। লোকজন বাইরে বের হবার না পারলে ভাড়া হইবে কী করি? সংসার কীভাবে চলবে চিন্তায় আছি।

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনজীবন

আপডেট সময় : ১০:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হিমেল হাওয়ায় দুর্ভোগ নেমে এসেছে জনপদে। সকাল হলেও কুয়াশার কারণে সড়ক দেখতে না পাওয়ায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন এ অঞ্চলের খেটে-খাওয়া, দিনমজুর, নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

dhakapost

এদিকে, ঠান্ডা উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে ঘর থেকে বের হওয়া লোকজন পড়েছেন বিপাকে।

যাত্রাপুর ইউনিয়নের দিনমজুর আজিজ মিয়া (৬০) বলেন, কুয়াশা ও ঠান্ডায় বাড়িত থাকি বের হওয়া যায় না। কী করবো, কাম করি তো খাওয়া লাগবে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পৌর শহরের রিকশাচালক আমিনুল ইসলাম (৫০) বলেন, ঠান্ডায় বাড়িত থাকি বের হইছি, ভাড়া নাই। লোকজন বাইরে বের হবার না পারলে ভাড়া হইবে কী করি? সংসার কীভাবে চলবে চিন্তায় আছি।