ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই বার অস্ত্রপাচার করা শিশুটির মৃত্যু

1177
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় শিশুটি। তবে পায়ুপথ না থাকায় এবার তার শরীরেও অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রথমবার সফল না হওয়ায় একই সমস্যায় দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। এসময় গরম সেঁক দিতে গিয়ে শিশুটির শরীরই পুড়িয়ে ফেলেন চিকিৎসকরা। এক পর্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার রাতে শিশুটি মারা যায়।
পোড়া শরীর নিয়ে শিশুটি রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। পরে পোড়া ক্ষতস্থানের চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে পায়ুপথের চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাকে আর ঢাকায় নেয়া হয়নি। এরপর শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। শিশুটির অস্ত্রোপচারকারী রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মোজাম্মেল হক বলেন, শিশুটির চিকিৎসা চলছিল। নতুন করে কোনো অস্ত্রোপচার করা হয়নি। একটু উন্নতি হওয়ায় হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছিল। বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরও শিশুটির জ্বর যাচ্ছিল না। শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। এ কারণে গতকাল বুধবার আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি রাত তিনটার দিকে মারা যায়।

দুই বার অস্ত্রপাচার করা শিশুটির মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1177
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় শিশুটি। তবে পায়ুপথ না থাকায় এবার তার শরীরেও অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রথমবার সফল না হওয়ায় একই সমস্যায় দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। এসময় গরম সেঁক দিতে গিয়ে শিশুটির শরীরই পুড়িয়ে ফেলেন চিকিৎসকরা। এক পর্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার রাতে শিশুটি মারা যায়।
পোড়া শরীর নিয়ে শিশুটি রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। পরে পোড়া ক্ষতস্থানের চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে পায়ুপথের চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাকে আর ঢাকায় নেয়া হয়নি। এরপর শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। শিশুটির অস্ত্রোপচারকারী রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মোজাম্মেল হক বলেন, শিশুটির চিকিৎসা চলছিল। নতুন করে কোনো অস্ত্রোপচার করা হয়নি। একটু উন্নতি হওয়ায় হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছিল। বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরও শিশুটির জ্বর যাচ্ছিল না। শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। এ কারণে গতকাল বুধবার আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি রাত তিনটার দিকে মারা যায়।