বগুড়ায় জনসভার ভাষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঞ্চের সিড়ি দিয়ে নামার সময় তাকে লাফ দিয়ে জড়িয়ে ধরেছেন এক নারী। রোববার বিকেলে বগুড়ার সান্তাহার স্টেডিয়ামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার আকস্মিকতায় চমকে না গিয়ে এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বুকে জড়িয়ে নেন। কান্নাভেজা চোখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কিছু বলতে দেখা যায় ওই নারীকে।
পরে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার পর পুলিশি জেরার মুখে ওই নারী তার নাম ফারহানা মল্লিক বলে জানান । তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে ঢাকার নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বলে দাবি করেন। তার স্বামী বগুড়ার দুপচাচিয়ার একজন সমাজসেবক বলেও বারবার উল্লেখ করেন তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতারা কেউই তাকে চেনেন না বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।
আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মঞ্চ থেকে নামার সময় বরাবরের মতো প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার পথের সামনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সারিবদ্ধ হয়ে দাড়িয়ে ছিলেন। ওই সারি থেকে হঠাৎ লাফ দিয়ে এক নারী জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রীকে। আকস্মিক এই দৃশ্যে চমকে ওঠেন সবাই। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুকে জড়িয়ে নেন ওই নারীকে। কান্নাভেজা চোখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কিছু বলতে দেখা যায় ওই নারীকে।
বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানককে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেছে। তবে কেন্দ্রীয় নেতাদের কয়েকজন বিষয়টিকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের ভালবাসা ও আবেগের বহি:প্রকাশ হিসেবে দেখছেন।























