ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা বিএনপির নেই, তা অতীতেও প্রমাণিত: তোফায়েল

নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা বিএনপির নেই, তা অতীতেও প্রমাণিত: তোফায়েল

ঢাকা: কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচন কমিশনই আগামী নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পশ্চিমবাংলার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আগামী নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনার সরকারই যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে তা নিয়ে কোনও ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা সংশয় ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের থাকা উচিত নয়। এখন তারাই সিদ্ধান্ত নিক ওই নির্বাচনে বিএনপির ভূমিকা কি হবে না হবে। ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে যেকোনোদিন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা আদালতে বিচারাধীন। রায় কী হবে তা আমরা কেউ জানি না। তবে বিদ্যমান আইন অনুসারে কারও যদি দুই বছরের সাজা হয় সেক্ষেত্রে তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। কাজেই খালেদা জিয়ার সাজা হয়ে জেলে গেলে বাংলাদেশের কোনও নির্বাচন হবে না বলে ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে হুমকি দিয়েছেন, তা কেবল মহাসচিব হিসেবে তাকে দিতে হয়। আর বাংলাদেশের কোনও নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা বিএনপির নেই। তা অতীতেও প্রমাণিত হয়েছে।

নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা বিএনপির নেই, তা অতীতেও প্রমাণিত: তোফায়েল

আপডেট সময় : ০৫:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা বিএনপির নেই, তা অতীতেও প্রমাণিত: তোফায়েল

ঢাকা: কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচন কমিশনই আগামী নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পশ্চিমবাংলার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আগামী নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনার সরকারই যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে তা নিয়ে কোনও ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা সংশয় ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের থাকা উচিত নয়। এখন তারাই সিদ্ধান্ত নিক ওই নির্বাচনে বিএনপির ভূমিকা কি হবে না হবে। ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে যেকোনোদিন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা আদালতে বিচারাধীন। রায় কী হবে তা আমরা কেউ জানি না। তবে বিদ্যমান আইন অনুসারে কারও যদি দুই বছরের সাজা হয় সেক্ষেত্রে তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। কাজেই খালেদা জিয়ার সাজা হয়ে জেলে গেলে বাংলাদেশের কোনও নির্বাচন হবে না বলে ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে হুমকি দিয়েছেন, তা কেবল মহাসচিব হিসেবে তাকে দিতে হয়। আর বাংলাদেশের কোনও নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা বিএনপির নেই। তা অতীতেও প্রমাণিত হয়েছে।