মাত্র ১৫০ টাকা নিয়ে ছিল বিরোধ। এ কারণে নবম শ্রেণির এক ছাত্রকে খুন করে পুঁতে রাখে তারই দুই বন্ধু। দুই বন্ধুর একজন আবার মৃতের সহপাঠী।
এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর রোড স্টেশনে। এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আনন্দবাজার।
শনিবার রাতে খুনি দুই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলো নবম শ্রেণির ছাত্র অমিত রায় এবং শুভ দাস। শুভ পড়াশোনা করে না।
মদের বোতল দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাতের পর দেবনাথ ভৌমিককে (১৫) শ্বাসরোধে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে দুই খুনি।
এদিকে না জানিয়ে ওই দুজনকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে কৃষ্ণনগরের রোড স্টেশনে অবরোধ করে তাদের পরিবারের লোকজন।
পুলিশ জানায়, কৃষ্ণনগরের দেবনাথ হাইস্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়তো দেবনাথ। গত তিনদিন ধরেই তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে- দুই বন্ধুর সঙ্গেই সর্বশেষ তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আসছে পুলিশ। কিন্তু প্রতিবারই তারা কিছু জানে না বলে এড়িয়ে যায়।
শনিবার রোড স্টেশনের একটি পুকুরের পাশের ঝোঁপ থেকে ওই ছাত্রের সাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিন সন্ধ্যায় দুজনকে থানায় তুলে নিয়ে আসা হয়। সন্ধ্যা থেকে টানা জেরার পর রাত ২টার দিকে তারা খুনের কথা স্বীকার করে।
পুলিশ জানায়, দেবনাথ ওই দুই বন্ধুর কাছে ১৫০ টাকা পেত। বেশকিছু দিন ধরেই এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। ঘটনার দিন মদ খাবে বলে ওই ঝোঁপে গিয়েছিল তিন বন্ধু।
সেখানে ফের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে মদের বোতল দিয়ে দেবনাথের মাথায় সজোরে আঘাত করে তারা। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে শ্বাসরোধ করে খুন করে সেখানেই পুঁতে দেয় তারা। অবশ্য এজন্য আগে থেকেই সেখানে গর্ত করে রাখা হয়েছিল।
এদিকে ওই দুজনকে গ্রেফতারের খবর জানাজানি হলে থানার সামনে ভিড় জমতে শুরু করে। রোববার সকাল থেকে রোড স্টেশন অবরোধ করে তাদের পরিবারের লোকজন।
























