
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দয়ায় ‘মন্দের ভালো’ একটি নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
তিনি বলেন, যে নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছে সেটা ভালোই হয়েছে। কেননা প্রধানমন্ত্রী তো ওয়াহেদুজ্জামান ও সাদেকা হালিমের মতো ব্যক্তিদের দিয়েও এই কমিশন গঠন করতে পারতেন। কিন্তু তা তিনি করেন নি।
রাষ্ট্রপতির গঠিত নতুন নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে কে তিনি এসব কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির যে ভূমিকা সেই দিক থেকে দেখলে প্রধানমন্ত্রীর দয়ায় গঠিত এ কমিশন অনেকটাই ভালো।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা প্রসঙ্গে তার মূল্যায়ন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলনে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার তো একজন ভালো আমলা। কেননা, যে দিক থেকে ঝড় আসে সেদিকেই ছাতা ধরেন উনি ( নুরুল হুদা)। আমলাতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় এমনটিই হয়ে থাকে।
বিএনপি কি বলতে পারবে- আমরা ক্ষমতায় গেলে আমলা নির্ভর প্রশাসন ব্যবস্থা বাতিল করবো, বিভাগের প্রদেশ কিংবা স্টেট ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবো। না, সেটা তারা পারবে না। তবে কেন আমলাদের আচরণ নিয়ে আজ তাদের এতো মাতামাতি?
মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠক বলেন, এই কমিশনের অধীনে দেশের নির্বাচন কেমন হবে তা পুরোপুরি নির্ভর করছে বিরোধী দলের ভূমিকার উপর। বিরোধী দল যদি সরকারকে সঠিকভাবে চাপে রাখতে পারে তবেই এ দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে। আর ঘরে বসে বসে বক্তৃতা-বিবৃতি দিলে অতীতে যা হয়েছে ভবিষ্যতেও তেমনটি হবে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিরোধী দল বিএনপির দূরবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বিএনপিকে প্রথমত সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে। তারপর জনগণের কাছে তাদেরকে সুষ্পস্ট করে বলতে হবে তারা ক্ষমতায় গেলে জনগণের জন্য কি কি কাজ করবে। যেমন ধরেন র্যাব বিলুপ্ত করা, ওএসডি প্রথা বাতিল করা, শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি বিষয়ে বিএনপিকে সুষ্পস্ট করতে হবে।




























