ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিল্পপতি রাগীবের মামলার রায় বৃহস্পতিবার


সিলেট: ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতির ঘটনায় শিল্পপতি রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে।

বুধবার দুপুরে সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন ঠিক করা হয়।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর আলোচিত এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

১৯৯০ সালে ভুয়া সেবায়েত সাজিয়ে তারাপুর চা-বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তি দখল নেন রাগীব আলী। বাগানের একাংশে রাগীব আলী ও তার স্ত্রীর নামে মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজ স্থাপন করা হয়। দেবোত্তর সম্পত্তির চা-বাগান বন্দোবস্ত নেয়া ও চা-ভূমিতে বিধিবহির্ভূত স্থাপনা করার অভিযোগে ২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আবদুল কাদের বাদী হয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতি ও সরকারের এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুটো মামলা করলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে নিষ্পত্তি করে পুলিশ।

গত বছরের ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের রায়ে মামলা দুটি পুনরুজ্জীবিত করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই মামলায় গত ১০ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হলে ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। ওই দিনই পালিয়ে ভারতের করিমগঞ্জ চলে যান রাগীব আলী ও তার ছেলে।

গত ২৩ নভেম্বর ভারতের করিমগঞ্জ ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন রাগীব আলী। ওই দিনই তাকে দেশে পাঠানো হলে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ১২ নভেম্বর ভারত থেকে জকিগঞ্জ ইমিগ্রেশন হয়ে দেশে ফেরার সময় আবদুল হাই গ্রেফতার হন।

শিল্পপতি রাগীবের মামলার রায় বৃহস্পতিবার

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


সিলেট: ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতির ঘটনায় শিল্পপতি রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে।

বুধবার দুপুরে সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন ঠিক করা হয়।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর আলোচিত এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

১৯৯০ সালে ভুয়া সেবায়েত সাজিয়ে তারাপুর চা-বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তি দখল নেন রাগীব আলী। বাগানের একাংশে রাগীব আলী ও তার স্ত্রীর নামে মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজ স্থাপন করা হয়। দেবোত্তর সম্পত্তির চা-বাগান বন্দোবস্ত নেয়া ও চা-ভূমিতে বিধিবহির্ভূত স্থাপনা করার অভিযোগে ২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আবদুল কাদের বাদী হয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক জালিয়াতি ও সরকারের এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুটো মামলা করলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে নিষ্পত্তি করে পুলিশ।

গত বছরের ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের রায়ে মামলা দুটি পুনরুজ্জীবিত করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই মামলায় গত ১০ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হলে ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। ওই দিনই পালিয়ে ভারতের করিমগঞ্জ চলে যান রাগীব আলী ও তার ছেলে।

গত ২৩ নভেম্বর ভারতের করিমগঞ্জ ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন রাগীব আলী। ওই দিনই তাকে দেশে পাঠানো হলে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ১২ নভেম্বর ভারত থেকে জকিগঞ্জ ইমিগ্রেশন হয়ে দেশে ফেরার সময় আবদুল হাই গ্রেফতার হন।