ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে ৩ জনকে বরখাস্ত

নিউজ ডেস্ক:: ঘুষ লেনদেন ও অসদাচরণের অভিযোগে তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। ওই তিন কর্মচারী হলেন—সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখার কমিশনার মো. রবিউল করিম, মো. নিজাম উদ্দিন ও এম.এল.এস.এস জেসমিন আক্তার।বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,এফিডেভিট শাখার তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়াসহ দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।বুধবার বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড.মো.জাকির হোসেন, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো.গোলাম রব্বানী তাৎক্ষণিকভাবে কমিশনার অব এফিডেভিট শাখায় পরিদর্শনে যান।

সেখানে গিয়ে কমিশনার অব এফিডেভিট মো. রবিউল করিসের কাছ থেকে ১৩ হাজার ৯৫টাকা, নিজাম উদ্দিনের বাম পকেট থেকে খুচরা ২০৫ টাকা ও ড্রয়ার থেকে অগোছালো ২ হাজার ৩৩৫ টাকা এবং এমএলএসএস জেসমিন আক্তারের পার্স থেকে ১ হাজার ৭৫ টাকা উদ্ধার হয় এবং সে অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এফিডেভিট শাখার সিসিটিভি ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তাদের শনাক্ত করা হয়।পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে এই টাকা পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন।এর ফলে তাদের এমন কর্মকাণ্ড অসদাচরণ ও অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী, যা গুরুতর অপরাধের সামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই প্রধান বিচারপতির অনুমোদন নিয়ে এই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে ৩ জনকে বরখাস্ত

আপডেট সময় : ১০:৫৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:: ঘুষ লেনদেন ও অসদাচরণের অভিযোগে তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। ওই তিন কর্মচারী হলেন—সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখার কমিশনার মো. রবিউল করিম, মো. নিজাম উদ্দিন ও এম.এল.এস.এস জেসমিন আক্তার।বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,এফিডেভিট শাখার তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়াসহ দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।বুধবার বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড.মো.জাকির হোসেন, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো.গোলাম রব্বানী তাৎক্ষণিকভাবে কমিশনার অব এফিডেভিট শাখায় পরিদর্শনে যান।

সেখানে গিয়ে কমিশনার অব এফিডেভিট মো. রবিউল করিসের কাছ থেকে ১৩ হাজার ৯৫টাকা, নিজাম উদ্দিনের বাম পকেট থেকে খুচরা ২০৫ টাকা ও ড্রয়ার থেকে অগোছালো ২ হাজার ৩৩৫ টাকা এবং এমএলএসএস জেসমিন আক্তারের পার্স থেকে ১ হাজার ৭৫ টাকা উদ্ধার হয় এবং সে অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এফিডেভিট শাখার সিসিটিভি ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তাদের শনাক্ত করা হয়।পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে এই টাকা পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন।এর ফলে তাদের এমন কর্মকাণ্ড অসদাচরণ ও অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী, যা গুরুতর অপরাধের সামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই প্রধান বিচারপতির অনুমোদন নিয়ে এই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।