ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের আস্থা অর্জনে নেতাকর্মীদের কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের

২০ অক্টোবর ২০২৬, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান এবং জনসেবার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জনে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশা উপলব্ধি করে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সেবা পান, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করছে—এমন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলোর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অন্যতম দায়িত্ব। শুধু জনগণের কথা বললেই হবে না, তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। মানুষের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করলেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইতিবাচক প্রভাব সমাজে প্রতিফলিত হবে।

তিনি আরও বলেন, নেতাকর্মীদের এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়ানো উচিত নয়, যার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয় কিংবা দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্যক্তিগত স্বার্থ, সুবিধা ও প্রাপ্তির চিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তাঁদের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান দেখানোর মধ্য দিয়েই রাজনৈতিক দলের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা তৈরি হয়।

বিএনপির চেয়ারম্যানের মতে, মানুষের বিশ্বাস অর্জন রাজনৈতিক কার্যক্রমের সফলতার অন্যতম প্রধান শর্ত। তাই দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীকে নিজেদের দায়িত্ব ও আচরণের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। তাঁদের কর্মকাণ্ডে যেন সাধারণ মানুষ উপকৃত হন এবং জনগণের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিকে, নিজ নিজ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধ প্রতিরোধেও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং এলাকার মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা প্রয়োজন। দায়িত্বশীল আচরণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব।

এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাঁদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাকে নেতাকর্মীদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করা এবং আইনসম্মত উপায়ে যেকোনো সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীরা জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবেন—এমন প্রত্যাশার কথাও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের আস্থা অর্জনে নেতাকর্মীদের কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের

জনগণের আস্থা অর্জনে নেতাকর্মীদের কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের

আপডেট সময় : ০২:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

২০ অক্টোবর ২০২৬, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান এবং জনসেবার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জনে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশা উপলব্ধি করে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সেবা পান, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করছে—এমন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলোর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অন্যতম দায়িত্ব। শুধু জনগণের কথা বললেই হবে না, তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। মানুষের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করলেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইতিবাচক প্রভাব সমাজে প্রতিফলিত হবে।

তিনি আরও বলেন, নেতাকর্মীদের এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়ানো উচিত নয়, যার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয় কিংবা দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্যক্তিগত স্বার্থ, সুবিধা ও প্রাপ্তির চিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তাঁদের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান দেখানোর মধ্য দিয়েই রাজনৈতিক দলের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা তৈরি হয়।

বিএনপির চেয়ারম্যানের মতে, মানুষের বিশ্বাস অর্জন রাজনৈতিক কার্যক্রমের সফলতার অন্যতম প্রধান শর্ত। তাই দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীকে নিজেদের দায়িত্ব ও আচরণের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। তাঁদের কর্মকাণ্ডে যেন সাধারণ মানুষ উপকৃত হন এবং জনগণের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিকে, নিজ নিজ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধ প্রতিরোধেও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং এলাকার মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা প্রয়োজন। দায়িত্বশীল আচরণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব।

এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাঁদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাকে নেতাকর্মীদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করা এবং আইনসম্মত উপায়ে যেকোনো সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীরা জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবেন—এমন প্রত্যাশার কথাও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।